ব্র্যান্ড নির্বাচন করুন Honda motorcycles  হোন্ডা (Honda) Bajaj motorcycles  বাজাজ (Bajaj) Hero motorcycles  হিরো (Hero) Yamaha motorcycles  ইয়ামাহা (Yamaha) TVS motorcycles  টিভিএস (TVS) Suzuki motorcycles  সুজুকি (Suzuki) Walton motorcycles  ওয়ালটন (Walton) Runner motorcycles  রানার (Runner) UM motorcycles  ইউ এম (UM) Lifan motorcycles  লিফান (Lifan) KTM motorcycles  কে টি এম (KTM) Roadmaster motorcycles  রোডমাস্টার (Roadmaster) Dayun motorcycles  ডায়উন (Dayun) Mahindra motorcycles  মাহিন্দ্র (Mahindra) Haojue motorcycles  হাউজুয়ে (Haojue) ZNEN motorcycles  জি নিন (ZNEN) Race motorcycles  রেস (Race) Keeway motorcycles  কিওয়ে (KeeWay) Pagasus motorcycles  পেগাসাস (Pagasus) H Power motorcycles  এইচ পাওয়ার (H. Power) Akij motorcycles  আকিজ (Akij) Zaara motorcycles  জারা (Zaara) Kawasaki motorcycles  কাওয়াসাকি (Kawasaki) Sym motorcycles  এস ওয়াই এম (SYM) Aprilia motorcycles  এপ্রিলিয়া (Aprilia) Vespa motorcycles  ভেসপা (Vespa) Green Tiger motorcycles  গ্রীন টাইগার (Green Tiger) Beetle Bolt motorcycles  বীটল বোল্ট (Beetle Bolt) Benelli motorcycles  বেনেলি (Benelli) Bennett  motorcycles  বেনেট (Bennett) BMW motorcycles  বিএমডাব্লিউ (BMW) Royal Enfield motorcycles  রয়েল এনফিল্ড (Royal Enfield) FKM motorcycles  এফকেএম (FKM) Harley Davidson motorcycles  হারলি ডেভিডসন Regal Raptor motorcycles  রিগাল র‍্যাপটার (Regal Raptor) Atlas Zongshen motorcycles  অ্যাটলাস জংশেন PHP motorcycles  পিএইচপি (PHP) GPX motorcycles  জিপিএক্স (GPX) Taro motorcycles  টারো Speeder motorcycles  স্পীডার (Speeder) Emma motorcycles  এমা (Emma) SINSKI motorcycles  SINSKI Xingfu motorcycles  জিংফু Zontes motorcycles  জোনটেস Singer motorcycles  সিঙ্গার

কিভাবে সেফ এবং সঠিকভাবে ব্রেক ব্যবহার করতে হয়


 06 Jul 2019  

এই আর্টিকেলে আমরা একদম বেসিক থেকে শুরু করব যে কিভাবে মোটরসাইকেল ব্রেক এর ব্যবহার নিয়ে। যদি আপনি এক্সপার্ট বা বিগেনার মোটরসাইকিলিস্ট হন, তাহলে আপনার অবশ্যই একটি দুইটি প্রশ্ন আছে যে কিভাবে সেফ এবং সঠিকভাবে ব্রেক ব্যবহার করতে হয়। যদি আপনার কোন প্রশ্ন নাও থাকে তবুও হয়ত আপনি যেভাবে ব্রেক ব্যবহার করছেন সেভাবে কিছুটা হলেও ভুল-ত্রুটি রয়েছে। যেহেতু ব্রেক একমাত্র ডিভাইস যেটা আপনাকে এক্সিডেন্ট শেষ মূহুর্তে বাঁচাতে সাহায্য করে সেহেতু আপনার উচিৎ এই বিষয়ে আর একটু পরিষ্কার ধারনা থাকা এবং যত রকম কনফিউশন আছে দূর করা। চলুন দেখে আসি।

আপনি হয়ত বাইক সর্ম্পকে ভালই জানেন তাহলে অবশ্যই আপনি এটা জানেন যে বাইকে দুইটি ব্রেক আছে – ফ্রন্ট হুইলে একটি এবং রেয়ারে একটি। ফ্রন্ট হুইলের ব্রেকটি সামনের হ্যান্ড লিভার এর রাইট গ্রিপ দিয়ে কন্ট্রোল করা হয় এবং রিয়ার হুইলে ব্রেক ব্যবহার করা হয় রাইট ফুট প্যাডেল দ্বারা। অতএব আপনার কি মনে হয় একটি ব্রেক ব্যবহার করা উচিত নাকি দুইটাই? যখন আপনি আপনার বাইক স্লো করতে যান তখন বাইকের ওয়েট ব্যালেন্স রিয়ার হুইল থেকে সামনের হুইলে চলে আসে। যার কারনে আপনার ফ্রন্ট হুইলকে সব কিছু সামলাতে হয়। যেখান রিয়ারে হুইলে বেশি চাপ পড়ে না, তাই রিয়ারে ব্রেক চাপার কারনে হুইল স্লাইড করে যার কারনে আপনি স্লাইড করে থাকেন বাইক নিয়ে। কিন্তু ফ্রন্ট হুইলে বেশি ওয়েট হওয়ার কারনে স্লিপ কাটার সম্ভাবনা কম থাকে। কিন্তু আপনি কোন ব্রেক ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করে আপনার দক্ষতা এবং অবস্থার উপর। গবেষনায় বলা হয়েছে ৭০% চাপ পড়ে ফ্রন্ট হুইলে এবং বাকিটা রিয়ার হুইলে পড়ে। কিন্তু এর মানে এটা না যে আপনি রেশিও এর উপর নির্ভর করে বাইকের ব্রেক ব্যবহার করবেন। রেশিও নির্ভর করে এক বাইক থেকে অন্য বাইকে। ডার্ট বাইকে ফ্রন্ট হুইলের খুব বেশি প্রয়োজন পড়ে না কিন্তু স্পোর্টস বাইকে ফ্রন্ট ব্রেকিং এর চাপ বেশি লাগে। ক্রুজার এবং চপারস বাইকে রিয়ার হুইল ব্রেকে চাপ বেশি থাকে।

অতএব আপনি দেখতে পারছেন যে বাইকের উপর নির্ভর করে ব্রেক কাজ করে।
আপনার নিজের বাইক সর্ম্পকে জানুন। সব থেকে ভাল হয় যদি আপনি কোন খোলা এলাকা বা গাড়ি কম চলে এমন রাস্তায় ব্রেকিং এর প্র্যাক্টিস করেন। মোটরসাইকেল ব্রেক চাপার আগে বুঝে নিন যে আপনার বাইকে ব্রেক কেমন কাজ করে এবং আপনি কোন ব্রেকে কেমন কম্ফোর্টেবল বোধ করেন তা বুঝুন। ধরুন আপনি কোন ইমার্জেন্সি পরিস্থিতে পড়েছেন তাহলে কেমন ভাবে ব্রেক ধরবেন সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখুন। এর মাধ্যমে আপনি বাইকের ব্রেক ধরার রিএকশন টাইম ঠিক রাখতে পারবেন। বেশি প্র্যাক্টিসের মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন যে ওয়েট কিভাবে ট্রান্সফার হচ্ছে যার ফলে ব্রেক ধরার সঠিক টাইম এবং কিভাবে কোন ব্রেক ধরবেন সে বিষয়ে ভালভাবে বুঝতে পারবেন।

এছাড়াও বেশি প্র্যাক্টিস করার ফলে আপনি বুঝতে পারবেন যে কতটুকু মোটরসাইকেল ব্রেক চেপে ধরলে রিয়ার হুইল উপরে উঠে যাবে না বা রিয়ার হুইল স্লিপ খাবে না। আপনারা অনেকে আছেন যারা বাইক রেস দেখতে পচ্ছন্দ করেন, তাহলে হয়ত আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে রেসার যখন বাইক নিয়ে কার্ভ করে তখন তারা প্রায় রাস্তার সাথে হাটু দিয়ে এক পাশ কাত হয়ে যায়। এছাড়াও আপনি অনেক সময় দেখেছেন যে এই লিন করাটা মাঝে মাঝে প্ল্যান অনুসারে কাজ করে না যার ফলে মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। কি ভুল থাকতে পারে এর মাঝে? অনেক কিছু আসলে। আপনার হুইল সব থেকে বেশি রেস্পন্স করবে যতক্ষন আপরাইট অবস্থায় থাকবে। আপনি যখন একপাশে বেশি ভর ট্রান্সফার করবেন। তখন কন্টাক্ট সারফেস কন্টাক্ট ফোর্স এর জন্য কমে আসবে। যার কারনে ফ্রিকশনও কমে আসবে। যার ফলে বাইকটি স্কিড করবে। যার কারনে হয়ত হসপিটাল ঘুরে আসতে হবে। অবশ্যই আপনি এটি চান না। আপনি রেস করুন বা না করুন যখন আপনি কার্ভ করবেন কিছুটা হলে এক পাশ হয়ে যেতে হয়। টায়ার তখনি বেশি কার্যকারী যখন ব্রেকিং আপরাইট অবস্থায় থাকে তাই সব সময় যখন আপনি কার্ভ বা এক পাশে লিন করবেন তখন হাল্কা করে হলেও ব্রেক চেপে ধরবেন। লিন করার আগে ব্রেক চেপে ধরুন। ফ্রিকশন যখন রোডের অবস্থার উপর নির্ভর করে তখন অবশ্যই রোডের কন্ডিশন আপনার ব্রেকিং এর উপর প্রভাব ফেলবে। যদি আপনি ফোর্স বিষয়ে খুব একটা শিউর না হন তাহলে ফন্ট্রের ব্রেক চেপে ধরুন। কিন্তু মনে রাখবেন ফ্রন্ট ব্রেক লক করা অনেক বেশি বিপদজনক রিয়ারের ব্রেক লক করার থেকে। সব সময় সর্তক থাকুন। যদি আপনি শিওর না হন তাহলে আস্তে বা স্লো রাইড করুন এবং কম ফোর্সে ব্রেক চেপে ধরুন। মোটরসাইকেল ব্রেক এর জন্য আসলে ক্যালকুলিয়েশন এবং দক্ষতা অনেকটা নিজের উপর নির্ভর করে। এই বিষয়ে পারদর্শী হওয়ার জন্য আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে এবং খুব জলদি চিন্তা করা শিখতে হবে – যাতে করে আপনি সহজে যেকোন পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে পারেন। সব সময় চেষ্টা করবেন মাঝামাঝি স্পিডে বাইক চালানোর। যত বেশি স্পিড থাকবে তত কঠিন হয়ে যাবে ব্রেক চেপে ধরা।

আশা করি আলোচিত বিষয় এবং পদ্ধতি গুলো আপনাকে আরো নিখুঁত ভাবে মোটরসাইকেলেরে ব্রেক চেপে ধরতে সাহায্য করবে।

নিরাপদ ভাবে রাইড করুন

সংগৃহীত

বাইকের সব ধরনের টিপস