ব্র্যান্ড নির্বাচন করুন Honda motorcycles  হোন্ডা (Honda) Bajaj motorcycles  বাজাজ (Bajaj) Hero motorcycles  হিরো (Hero) Yamaha motorcycles  ইয়ামাহা (Yamaha) TVS motorcycles  টিভিএস (TVS) Suzuki motorcycles  সুজুকি (Suzuki) Walton motorcycles  ওয়ালটন (Walton) Runner motorcycles  রানার (Runner) UM motorcycles  ইউ এম (UM) Lifan motorcycles  লিফান (Lifan) KTM motorcycles  কে টি এম (KTM) Roadmaster motorcycles  রোডমাস্টার (Roadmaster) Dayun motorcycles  ডায়উন (Dayun) Mahindra motorcycles  মাহিন্দ্র (Mahindra) Haojue motorcycles  হাউজুয়ে (Haojue) ZNEN motorcycles  জি নিন (ZNEN) Race motorcycles  রেস (Race) Keeway motorcycles  কিওয়ে (KeeWay) Pagasus motorcycles  পেগাসাস (Pagasus) H Power motorcycles  এইচ পাওয়ার (H. Power) Akij motorcycles  আকিজ (Akij) Zaara motorcycles  জারা (Zaara) Kawasaki motorcycles  কাওয়াসাকি (Kawasaki) Sym motorcycles  এস ওয়াই এম (SYM) Aprilia motorcycles  এপ্রিলিয়া (Aprilia) Vespa motorcycles  ভেসপা (Vespa) Green Tiger motorcycles  গ্রীন টাইগার (Green Tiger) Beetle Bolt motorcycles  বীটল বোল্ট (Beetle Bolt) Benelli motorcycles  বেনেলি (Benelli) Bennett  motorcycles  বেনেট (Bennett) BMW motorcycles  বিএমডাব্লিউ (BMW) Royal Enfield motorcycles  রয়েল এনফিল্ড (Royal Enfield) FKM motorcycles  এফকেএম (FKM) Harley Davidson motorcycles  হারলি ডেভিডসন Regal Raptor motorcycles  রিগাল র‍্যাপটার (Regal Raptor) Atlas Zongshen motorcycles  অ্যাটলাস জংশেন PHP motorcycles  পিএইচপি (PHP) GPX motorcycles  জিপিএক্স (GPX) Taro motorcycles  টারো Speeder motorcycles  স্পীডার (Speeder) Emma motorcycles  এমা (Emma) SINSKI motorcycles  SINSKI Xingfu motorcycles  জিংফু Zontes motorcycles  জোনটেস Singer motorcycles  সিঙ্গার

গিয়ার পরিবর্তন


 01 Dec 2020  

প্রথম গিয়ারের পরের গিয়ারগুলো পরিবর্তন করার জন্য আসলে নির্দিষ্ট কোনো নিয়মকানুন নেই। এটি আপনাকে নিজে থেকে অনুভব করে করতে হবে। আপনার ইঞ্জিনের শব্দ যখন অতিরিক্ত বেড়ে যাচ্ছে, তখন আস্তে আস্তে গিয়ার পরিবর্তন করবেন। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভালো, প্রতিটি গিয়ারের একটি পয়েন্ট আছে যার পরে বাইকের পিকআপ বাড়ালেও বাইক আর সেই গিয়ারে তার থেকে বেশি স্পিড তুলতে পারে না বা ইঞ্জিন আর বেশি শক্তি কিংবা টর্ক তৈরি করতে পারে না।

আপনার বাইকটি যদি গিয়ারের সেই লেভেলে চলে যায়, তাহলে আপনি আপনার বাইকের গিয়ার পরিবর্তন করে দিতে পারেন। আর তখনও গিয়ার পরিবর্তন না করলে এটা আপনার বাইকের ভেতরের যন্ত্রপাতির ক্ষতি করতে পারে। এক্ষেত্রে, আপনাকে বুঝতে হবে ইঞ্জিনের এই লেভেলটা আসলে কখন আসে যখন এক্সেলেরেট করার পরও ইঞ্জিন আর শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না।

আবার, খুব দ্রুত গিয়ার পরিবর্তন করাটাও খুব একটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এর ফলে আপনার ইঞ্জিনের লাইফটাইম কমে যেতে পারে। আপনি যদি ইঞ্জিনের সর্বোচ্চ লেভেলে যাবার অনেক আগেই গিয়ার পরিবর্তন করতে থাকেন, তবে দেখা যাবে, একসময় আপনার ইঞ্জিনের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেছে। তাই, সময় বুঝে সবসময় কাজ করতে হবে। আপনার বাইককে আপনার বুঝতে হবে। আর এক্ষেত্রে বারবার অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই।

[অনলাইন থেকে সংগৃহীত]

Notice (8): Undefined index: title [APP/Template/Element/news_carousel.ctp, line 4]

Notice (8): Undefined index: title_for_link [APP/Template/Element/news_carousel.ctp, line 51]
Notice (8): Undefined index: link [APP/Template/Element/news_carousel.ctp, line 51]
/news/view/346?q=/news/view/346&