ব্র্যান্ড নির্বাচন করুন Honda motorcycles  হোন্ডা (Honda) Bajaj motorcycles  বাজাজ (Bajaj) Hero motorcycles  হিরো (Hero) Yamaha motorcycles  ইয়ামাহা (Yamaha) TVS motorcycles  টিভিএস (TVS) Suzuki motorcycles  সুজুকি (Suzuki) Walton motorcycles  ওয়ালটন (Walton) Runner motorcycles  রানার (Runner) UM motorcycles  ইউ এম (UM) Lifan motorcycles  লিফান (Lifan) KTM motorcycles  কে টি এম (KTM) Roadmaster motorcycles  রোডমাস্টার (Roadmaster) Dayun motorcycles  ডায়উন (Dayun) Mahindra motorcycles  মাহিন্দ্র (Mahindra) Haojue motorcycles  হাউজুয়ে (Haojue) ZNEN motorcycles  জি নিন (ZNEN) Race motorcycles  রেস (Race) Keeway motorcycles  কিওয়ে (KeeWay) Pagasus motorcycles  পেগাসাস (Pagasus) H Power motorcycles  এইচ পাওয়ার (H. Power) Akij motorcycles  আকিজ (Akij) Zaara motorcycles  জারা (Zaara) Kawasaki motorcycles  কাওয়াসাকি (Kawasaki) Sym motorcycles  এস ওয়াই এম (SYM) Aprilia motorcycles  এপ্রিলিয়া (Aprilia) Vespa motorcycles  ভেসপা (Vespa) Green Tiger motorcycles  গ্রীন টাইগার (Green Tiger) Beetle Bolt motorcycles  বীটল বোল্ট (Beetle Bolt) Benelli motorcycles  বেনেলি (Benelli) Bennett  motorcycles  বেনেট (Bennett) BMW motorcycles  বিএমডাব্লিউ (BMW) Royal Enfield motorcycles  রয়েল এনফিল্ড (Royal Enfield) FKM motorcycles  এফকেএম (FKM) Harley Davidson motorcycles  হারলি ডেভিডসন Regal Raptor motorcycles  রিগাল র‍্যাপটার (Regal Raptor) Atlas Zongshen motorcycles  অ্যাটলাস জংশেন PHP motorcycles  পিএইচপি (PHP) GPX motorcycles  জিপিএক্স (GPX) Taro motorcycles  টারো Speeder motorcycles  স্পীডার (Speeder) Emma motorcycles  এমা (Emma) SINSKI motorcycles  SINSKI Xingfu motorcycles  জিংফু Zontes motorcycles  জোনটেস Singer motorcycles  সিঙ্গার

মোটরসাইকেল বা গাড়ী এর মাইলেজ হিসাব করার সহজ উপায়


 17 Aug 2020  

আপনার যদি উপায় জানা থাকে তবে আপনি খুব সহজেই আপনার মোটরসাইকেল বা গাড়ী এর মাইলেজ হিসাব (প্রতি লিটারে কত কিলোমিটার চলে) করতে পারবেন । প্রায়শই এটাকে বলা হয় রিজার্ভ টুঁ রিজারভ চেকিং । অনেক ভাবেই আপনি কার বা বাইকের মাইলেজ হিসাব করতে পারবেন। যেমন ঢাকা শহরের জন্য আপনি যে মাইলেজের হিসাব পাবেন, সিলেট এর জন্য তা কিন্তু ভিন্ন হবে। এখন আসুন আমরা দেখি কিভাবে আপনার মোটরসাইকেল বা গাড়ী এর মাইলেজ হিসাব করবেন।

মোটরসাইকেল বা গাড়ী এর মাইলেজ পরিমাপ করার কিছু টিপস
যখন আপনার বাইকটি রিজার্ভার এ আসে, তখন ট্রিপ মিটার টি ফিক্স করুন ।
এবার ফুয়েল পাম্প এ গিয়ে ১ লিটার পেট্রোল নিন।
যতক্ষণ আপনার বাইকটি পুনরায় রিজার্ভার এ না আসে, ততক্ষন চালান । এবার দেখুন কত মিটার চলেছে।
এভাবেই আপনি আপনার ট্রিপ মিটার থেকে মাইলেজ এর হিসাব পেতে পারেন।

একই পদ্ধতি কয়েকবার অনুসরণ করার পর সবগুলি হিসাবের একটি গড় করবেন আর তাহলেই পেয়ে যাবেন আপনার বাইকের সঠিক মাইলেজ।

একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, তা হল পুরো বিষয়টি কিন্তু, ট্রাফিক এর অবস্থা, যে রাস্তায় আপনি মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন তার অবস্থা এসবের উপর অনেকখানি নির্ভর করে। এছাড়া, আপনি বাইকটি কিভাবে চালাচ্ছেন আর কতটা এর প্রতি যত্নশীল এসবের উপরও নির্ভর করে। আপনি কিভাবে এর ব্রেক বা আক্সিলারেসানগুলি ব্যাবহার করেছেন, কত দ্রুতটায় চালাচ্ছেন এসব কিছুই কিন্তু মাথায় রাখতে হবে আপনার মাইলেজ এর হিসাব করার সময়।

যদি আপনার রিজার্ভার না থাকে, তাহলে আপনাকে অন্যভাবে মাইলেজের হিসাব করতে আপনি একটি বোতলে ১ লিটার পেট্রোল নিবেন আর ফুয়েল ট্যাঙ্কটি স্বাভাবিকভাবে খালি হতে দিন। অন্যভাবেও আপনি ফুয়েলট্যাঙ্কটি খালি করতে পারেন এবং ১ লিটার পেট্রোলই ভরবেন।

১লিটার পেট্রোল ভরার পর বর্তমান কিলোমিটার রিডিং(কিলোমিটার ১)টি নিবেন । আপনার সাথে অবশ্যই অতিরিক্ত ফুয়েল রাখবেন যাতে ফুয়েল শেষ হয়ে গেলে আপনি বাইকটি আবার চালাতে পারেন। বাইকটি চালিয়ে যখন প্রথম ১ লিটার শেষ হয়ে যাবে এবার কিলোমিটার রিডিং (কিলোমিটার ২) টি নিবেন । এবার ২য় রিডিং আর ১ম রিডিং এর পার্থক্যই হল আপনার মাইলেজ । একই পদ্ধতি কয়েকবার অনুসরণ করার পর সবগুলি হিসাবের একটি গড় করবেন আর তাহলেই আপনার বাইকের সঠিক মাইলেজটি বের হবে। তবে, এই মাইলেজ পরীক্ষা যতটা সম্ভব স্বাভাবিক ট্রাফিক অবস্থায় করার চেষ্টা করবেন ।

এছাড়াও আরও যে উপায়ে মাইলেজ এর হিসাব করা যাবেঃ
আপনি জানেন যে, যেসব বাইক ফুয়েল এ চলে সেসব বাইকে ১ লিটার ব্যবহার করা যায়না কারণ এতে ফুয়েল পাম্প এর ক্ষতি হয়। এজন্য এবার আপনি ফুয়েল ট্যাঙ্কটি পরিপূর্ণ করে ট্যাঙ্কটি খালি না হওয়া পর্যন্ত বাইক চালিয়ে তারপর মাইলেজের হিসাব করতে পারেন। গাণিতিক হিসাব টি খুবই সহজ।

মোট যত কিলোমিটার চালানো হয়েছে/ যত লিটার ফুয়েল নেয়া হয়েছিলো
এটি মাইলেজ হিসাব করার সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি। যদিও এটি একটি খরচান্ত ব্যাপার কিন্তু এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি সবচেয়ে সঠিক হিসাবটি পাবেন, আবার আপনার ফুয়েল পাম্প এর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে না। যদি আপনার বাইক ফুয়েল ইঞ্জেকটেড হয় তাহলে, আপনি পুরো খালি কখনই করতে পারবেন না । তাই, ট্যাঙ্কটি পুরোটাই ভরে নিয়ে বাইক চালান যত কিলোমিটার সম্ভব।

৩০০ বা ৪০০ কিলোমিটার। আবার ট্যাঙ্ক ভরে পুনরায় আবার চালান । তারপর এই দুই বারের মাইলেজের পার্থক্য থেকে আপনার বাইকের মাইলেজ হিসাব করুন। চালানোর পর কিলোমিটার আর ফুয়েল কত লিটার নিয়েছেন তা সহজেই হিসাব করতে পারবেন ।

ডিজিটাল মিটার গুলি বাইকে সঠিক মাইলেজের হিসাব দেখায়। যেমন ৪০ কিলোমিটার প্রতি লিটারে এভাবে।কখনও কখনও আসলেই সঠিক হিসাব পাওয়া যায়না। তাই আপনি আপনার নিকটস্থ শো- রুমে গিয়ে জানতে চাইতে পারেন সঠিক মাইলজে সম্পর্কে । ওরা আপনাকে সঠিক মাইলেজ হিসাব বলে দেবে। কিন্তু, একটা বিষয় আপনাকে সব সময় মাথায় রাখতে হবে তা হল- আপনার বাইকের মাইলেজ এর হিসাব, যে বাইকটি চালাচ্ছে সে কিভাবে চালাচ্ছে,রাস্তার অবস্থা কি রকম আর রাস্তার ট্রাফিক এর অবস্থা কি রকম এই সব কিছুর উপর অনেক খানি নির্ভর করবে।

[সংগৃহীত]

Notice (8): Undefined index: title [APP/Template/Element/news_carousel.ctp, line 4]

Notice (8): Undefined index: title_for_link [APP/Template/Element/news_carousel.ctp, line 51]
Notice (8): Undefined index: link [APP/Template/Element/news_carousel.ctp, line 51]
/news/view/251?q=/news/view/251&